ফেসবুকের কল্যাণে বাদলকে ফিরে পেয়েছে তার পরিবার

0
538

এস.এইচ.জুনাঈদী :
ফেসবুকে ছবি দেখে চার বছর পর হারিয়ে যাওয়া ছেলেকে ফিরে পেয়েছেন মা। ব্রাক্ষণবাড়িয়া জেলার কসবা পৌরসভা এলাকা থেকে ২০১৭ সালে হারিয়ে যায় বাদল মিয়া (২৬)। এরপর বহুদিন সন্তানের খোঁজ করেছেন মা সহ পরিবারের সদস্যরা কিন্তু সন্ধান মিলেনি। সব শেষ ফেসবুকের কল্যাণে বাদলকে ফিরে পেয়েছে তার পরিবার।

সম্প্রতি কধুরখীল মুক্তিযোদ্ধা রিভার ভিউ এলাকার বায়জিদ রাজু নামে এক যুবক বোয়ালখালী থানার সেকেন্ড অফিসার জাহাঙ্গীর আল আমান ও গাউছিয়া কমিটি মানবিক টিমের ওসমান গনি ও নাজিম উদ্দীনের সহযোগিতায় গত ২৫ ফেব্রুয়ারি বৃহষ্পতিবার দুপুরে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সাংবাদিক আবুল ফজল বাবুলের তত্ত্বাবধানে মানসিক ভারসাম্যহীন ও শরীর বেশ কিছু অংশ পুড়া অবস্থায় ভর্তি করা হয়। পরে ২৭ ফেব্রুয়ারি ফেসবুক পোস্ট করলে মুহূর্তের মধ্যে ভাইরাল হয়ে পরলে বাদল মিয়াকে চিনতে পারে তার পরিবার।

ব্রাক্ষণবাড়িয়া জেলার কসবা পৌরসভার মরা পুকুর পাড় সরকার বাড়ীর মৃত ইদ্রিস মিয়ার ছেলে বাদল মিয়া। ২৬ বছর বয়সী বাদল মিয়া ২০১২ সালে কসবা টি আলী ডিগ্রী কলেজ থেকে এইচ এস সি পাস করেন । একই বছর পিতা মারা যাওয়ায় ও প্রেম করে প্রেমে ব্যর্থ হয়ে মানসিকভাবে ভারসাম্যহীন হয়ে পরে তিনি। এর আগে একবার ৭ দিন আরেকবার ৯দিন নিখোঁজ ছিল।

সোমবার (০১ মার্চ)  সকালে বোয়ালখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ জিল্লুর রহমান, সেকেন্ড অফিসার মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আল আমান,সাংবাদিক আবুল ফজল বাবুল,বোয়ালখালী গাউসিয়া কমিটির স্বেচ্ছাসেবক ওসমান গনি, নাজিম উদ্দিন ও বায়জিদ রাজু বাদল মিয়াকে তাঁর মা শায়েরা খাতুন, ছোটভাই শাহ আলম,খালা আসমা বেগম ও স্থানীয় আবুল হাসেমের কাছে হস্তান্তর করা হয় ।

এসময় তাঁর পরিবারের পক্ষ তার ছোট ভাই শাহ আলম,  উপস্থিত সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান । ভাইকে ফিরে পেয়ে উচ্ছ্বাসিত হন। এরপর গাউছিয়া কমিটির এ্যাম্বুলেন্স যোগে চট্টগ্রাম রেল স্টেশনে পৌঁছে দেয়া হয়।

এসময় বোয়ালখালী থানার সেকেন্ড অফিসার জাহাঙ্গীর আল আমান চ্যানেল বোয়ালখালীকে জানান, কধুরখীল ১নং ওয়ার্ডের স্থানীয় লোকজন আমাকে অবগত করলে ২৫ ফেব্রুয়ারি দুপুরে উদ্ধার করে গাউছিয়া কমিটি বাংলাদেশ ও সাংবাদিক আবুল ফজল বাবুলের সহযোগিতায় বাদল মিয়া সুস্থ করে তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here