তরুণ ও জ্ঞান পিপাসুদের জন্য লিখা “কর্পোরেট হিরো” : তমা রশিদ

0
294

তরুণ লেখিকা তমা রশিদ। ১৯৯৮ সালে ১০ এপ্রিল ঢাকায় বাবা মামুনুর রশিদ ও মা তছলিমা রশিদ এর ঘরে জন্মগ্রহণ করেন। গ্রামের বাড়ি রাজশাহী হলেও ছোট থেকে বড় হয়েছেন ঢাকায়। ভিকারুননিসা নূন স্কুল এন্ড কলেজ থেকে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক ও ঢাকা সিটি কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক শেষ করে। বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে মার্কেটিং বিভাগের তৃতীয় বর্ষে অধ্যয়নরত আছে। ২০২১ সালে বইমেলা উপলক্ষে তার লেখা “কর্পোরেট হিরো” বই প্রকাশিত হওয়া চ্যানেল বোয়ালখালী’তে সাক্ষাৎকার গ্রহণ।

এস.এইচ.জুনাঈদী : কোনো বিষয়টি আপনার বই লেখার অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করেছিলো?

তমা রশিদ : বই লেখার অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করেছিল যে বিষয়টা আমি যৌথ দীর্ঘদিন ধরে গণমাধ্যমে আছি রেডিও স্টেশনে কাজ করে প্লাস বিভিন্ন জায়গায় যাওয়া হয়েছে বিভিন্ন প্রোগ্রাম অ্যাটেন্ড করা হয়েছে ম্যাক্সিমাম স্টুডেন্টদের দেখা যেত যারা আভারিজ তারা ইংলিশ বইগুলো পড়তে পারে না কারণ তারা ইংলিশে বুঝতে পারে না কিংবা ইংলিশ বই গুলো অ্যাভেইলাবল না। যদিও এখন ইংলিশ বইগুলো অ্যাভেইলাবল হয়েছে কিন্তু স্টিল অনেকে ইংলিশ পড়ে বুঝতে পারে না।আবার দেখা যাচ্ছে অনেক গুলো বই সবাই পাই না পেলেও এতগুলো বই পড়ার সময় সবাই পাই না বা যারা গ্রামে থাকে একটু কম ফাসিলেশনে থাকে তাদের পক্ষে ইংলিশ বইগুলো পড়া সম্ভব হয় না। আমার অনুপ্রেরণা সেই সকল স্টুডেন্টদেরকে নিয়ে যারা ইংরেজী বই পড়তে পারে না কিন্তু এই ধরনের বৈদেশিক ট্রামগুলো বা একদম ভালো জ্ঞান অর্জন করতে চাই তাদের জন্য লেখা।

এস.এইচ.জুনাঈদী : সমসাময়িক এবং পূর্বজ লেখক‌দের সম্পর্কে আপনার মূল্যায়ন কী?

তমা রশিদ : সমসাময়িক এবং পূর্বজ লেখকদের ক্ষেত্রে আসলে আমার তেমন কোন মনোভাব নেই বা মুল্যায়ন আমি এভাবে করতে চাই না। কেননা প্রত্যেকের লেখার ধরন একরকম থাকে না আর প্রত্যেকে প্রত্যেকের মনের ভাবটা অন্যভাবে আসলে প্রকাশ করে। যেমন, আগের যুগের সাথে এখনকার যুগে লেখকেরা তো সেম টু সেম হবে না কিন্তু তারপরও আমার কাছে তাদেরকে ভালোই লাগে। যদিও আমার বেশিরভাগ পড়া হয় বিদেশি রাইটার এর বইগুলো কারণ আমি যেহেতু স্কিল ডেভলপমেন্ট নিয়ে কাজ করছি তো সেই ক্ষেত্রে বিষয়টি নিয়ে একটা মন্তব্যও করতে চাই না।

এস.এইচ.জুনাঈদী : লেখালেখির শুরুর গল্পটা জানতে চাই।

তমা রশিদ : লেখালেখির শুরুর গল্পটা হচ্ছে অন্বেষা প্রকাশন এর হাত ধরেই হয়েছে অন্বেষা প্রকাশনীর প্রকাশক আর উনারা আসলে আমার লেখালেখির পিছে সবচেয়ে বড় অবদান এবং এখন পর্যন্ত আমি যখনই আসলে একটু ডিমোটিভেটেড হয়ে যায় তখন আমাকে উনি মোটিভেশন দিয়ে আবার লেখালেখিতে নিয়ে আসে। তাই আমার পুরো মোটিভেশনটা আসলে প্রকাশকের কাছে আমি দিতে চাচ্ছি।

এস.এইচ.জুনাঈদী : আপনি লেখার মাধ্যমে কোন দিকটাকে বেশি গুরুত্ব দিতে চেয়েছেন। পেরেছেন কী?

তমা রশিদ : আমার লেখার মধ্যে আমি সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিতে চেয়েছি স্কিল ডেভলপমেন্ট বিষয়টিকে। অর্থাৎ, আমাদের সমসাময়িক যে সকল স্টুডেন্টরা আমরা আছি কিংবা সিনিয়র যারা আছে স্কিল যাদের প্রয়োজন বা সফট স্কিলের প্রয়োজন কিংবা যারা একটু জ্ঞানের পিপাসা মেটাতে চাই। তাদের প্রতি গুরুত্ব দিয়ে লিখেছি।

লেখিকা তমা রশিদের হাতে “কর্পোরেট হিরো” বই

এস.এইচ.জুনাঈদী : আপনার লেখা বই প্রকাশিত হওয়ায় আপনার অনুভূতি কেমন?

তমা রশিদ : আসলে বই প্রকাশিত হওয়ার পরে অনুভূতিটা একটু অন্যরকম যেমন বই লেখার আগে ছিল যে আমি বই পড়ি কিন্তু বই লেখার পর হইতে আমাকে আরো ভালো বই লিখতে হবে এজন্য আমাকে আরো বেশি বই পড়তে হবে তো আমার কাছে অনুভূতি এটাই ছিল যে এবারের বই আমি এতটুকু দিয়েছি সামনের বারের এর চেয়ে দশগুণ দিতে চাই।

এছাড়াও গত বইমেলা তার লেখা “নেক্সট সেমিস্টার কোপায় দিমু” নামে একটি বই বের হয়েছিল। তার লিখিত বই অনলাইন ও বাজারে পাওয়া যাচ্ছে বলে নিশ্চিত করেছেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here